বিগত কয়েকদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু মারা গেছে । পাশাপাশি নেতানিয়াহু তার নিজস্ব ফেসবুক থেকে প্রকাশিত ভিডিও নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেগুলো স্বাভাবিকভাবে দেখলে এআই দিয়ে তৈরি বলে মনে হয়। তাছাড়া কয়েকটি ফ্যাক্টচেক বিশ্লেষণে এসব ভিডিওকে এআই-নির্মিত বলে শনাক্ত করার দাবি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত তার মৃত্যুর বিষয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য ও প্রমাণিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
অনেকে মনে করছেন, এগুলো যুদ্ধকালীন সময়ে ইসরায়েলের কৌশল হতে পারে। তাদের মতে, মানুষকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের ভিডিও প্রকাশ করা হয়ে থাকতে পারে। অনেক বিশ্লেষক মনে করেন,যদি সত্যিই নেতানিয়াহু মারা যেত এবং জীবিত দেখানোর প্রয়োজন হতো, তাহলে ভিডিও গুলো এমনভাবে প্রকাশ করা হতো সেগুলো এআই হিসেবে শনাক্ত না হয়।
কেন এটি যুদ্ধকৌশল হতে পারে,প্রথমত ইরান যদি মনে করে নেতানিয়াহু মারা গেছে তাহলে তারা ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারে। দ্বিতীয়ত নেতানিয়াহু আড়াল থেকে নতুন কৌশল সাজানোর সুযোগ পাওয়ার জন্য। তাছাড়া মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে হত্যার জন্য যে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে তা কঠিন করে তুলা এবং মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধে ইরানের মনোবল দুর্বল করে তুলা।
তবে নেতানিয়াহু মৃত্যুর গুজবের মধ্যেই একাধিকবার অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মে ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছে । সর্বশেষ ভিডিওতে নেতানিয়াহুর সাথে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, চিফ অব স্টাফ, মোসাদের প্রধান, বিমান বাহিনীর প্রধান এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কমান্ডারদের সঙ্গে উপস্থিত ছিল। সেখানে তিনি বলেন-
“গত ২৪ ঘণ্টায় শীর্ষ দুই সন্ত্রাসী নেতাকে নির্মূল করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। ইরানের জনগণকে নওরোজ (পারস্য নববর্ষ) উদযাপনের শুভেচ্ছা। আমরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি”।
